সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ

সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ

📒উপন্যাস:
➡️লালসালু (গ্রাম বাংলার মানুষের অশিক্ষা, কুশিক্ষা এবং ধর্মীয় কুসংস্কার, ভণ্ডামির নিখুঁত চিত্র উপন্যাস টির মূল উপজীব্য।
👉উপন্যাসটি Tree Without Roots’ নামে ইংরেজি ভাষায় অনূদিত হয়।
👉উপন্যাসটির প্রধান চরিত্র- মজিদ, জমিলা, এবং আমিনা),

➡️চাঁদের অমাবস্যা (একটি মনােসমীক্ষামূলক উপন্যাস।
👉প্রধান চরিত্র- স্কুল মাস্টার আরেফ আলী, কাদের),

➡️কাঁদো নদী কাঁদো (একটি মনােসমীক্ষামূলক উপন্যাস),

➡️The Ugly Asian (ইংরেজি ভাষায় লিখিত তাঁর একটি উপন্যাস)

📒নাটক:
➡️তরঙ্গভঙ্গ (এটি একটি সামাজিক নাটক; মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক নাটক নয়),
➡️বহিপীর,
➡️সুড়ঙ্গ।

📒গল্পগ্রন্থ:
নয়নচারা,
দুই তীর ও অন্যান্য গল্প (১৯৪৭ সালের দেশভাগের প্রেক্ষাপটে গল্পগ্রন্থটি রচিত। এই গল্পগ্রন্থের জন্য। তিনি আদমজী পুরস্কার লাভ করেন।

➡️’একটি তুলসী গাছের কাহিনী’ গ্রন্থটি তার একটি বিখ্যাত ছােট গল্প)।

📒কিছু প্রশ্ন
➡️প্র : সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ কবে, কোথায় জন্মগ্রহণ করেন?
উ: ১৯২২ খ্রিষ্টাব্দের ১৫ই অগস্ট চট্টগ্রামের
যােলশহরে ।

➡️প্র : তিনি কী হিসেবে পরিচিত?
উ : কথাসাহিত্যিক ।

➡️প্র: হাতে লেখা কোন পত্রিকা তিনি সম্পাদনা করেন, কখন?
উ : ফেনি স্কুলের ছাত্রাবস্থায় (১৯৩৬) ‘ভােরের আলাে’ নামের পত্রিকা।

➡️প্র: তাঁর প্রকাশিত প্রথম গল্পের নাম কী?
কোথায় বের হয়?
উ : ‘হঠাৎ আলাের ঝলকানি। ঢাকা কলেজ ম্যাগাজিনে |

➡️প্র : ১৯৪৫ থেকে ১৯৪৭ পর্যন্ত তিনি কোন পত্রিকায় কর্মরত ছিলেন?
উ : কলকাতার দৈনিক স্টেটম্যান; সহকারী সম্পাদক পদে।

➡️প্র : মুক্তিযুদ্ধে তাঁর অবস্থান কী ছিল?
উ : মুক্তিযুদ্ধকালে তিনি প্রবাসে ইউনেস্কোতে
কর্মরত থাকার সময় স্বাধীনতা সংগ্রামের পক্ষে বিশ্ব জনমত গড়ার ক্ষেত্রে কাজ করেন।

➡️প্র : তাঁর স্ত্রী কে?
উ : ফরাসি নাগরিক এ্যান মেরি (বিয়ে :১৯৫৬)।

➡️প্র : তাঁর রচনাসমূহ কী?
📒উপন্যাস :
লালসালু (১৯৪৮),
চাদের অমাবস্যা (১৯৬৪),
কাঁদো নদী কাঁদো (১৯৬৮),
দি আগলি এশিয়ান (ইংরেজি ভাষায়; রচনা ১৯৬৩)।

📒গল্পগ্রন্থ :
নয়নচারা (১৯৫১),
দুই তীর ও অন্যান্য গল্প (১৯৬৫) ।

📒নাটক :
বহিপীর (১৯৬৫),
তরঙ্গভঙ্গ (১৯৬৬),
সুড়ঙ্গ (১৯৬৪),
উজানে মৃত্যু (১৯৬৬)।

➡️প্র: লালসালু ইংরেজি অনুবাদের নাম কি?
উ: ট্রি উইথ আউট রুটস্(১৯৬৭)

➡️প্র: লালসালুর ফরাসি অনুবাদের নাম কি?
উ: ল্য অরবরে সামস মায়েমঁ(১৯৬১)

➡️প্র : কে উপন্যাসটির ফরাসি অনুবাদ করেন?
উ : ওয়ালীউল্লাহর পত্নী অ্যান মেরি

➡️প্র: ‘দি আগলি এশিয়ান উপন্যাসের
বঙ্গানুবাদ কে, কী নামে করেন?
উ : শিবব্রত বর্মণ অনুবাদ করেন ‘কদর্য
এশীয়’ (২০০৬) নামে।

➡️প্র : তিনি কী কী পুরস্কার লাভ করেন?
উ : বাংলা একাডেমি পুরস্কার (১৯৬১),
আদমজি পুরস্কার (১৯৬৫),
একুশে পদক (১৯৮৩)।

➡️প্র: তাঁর মৃত্যু হয় কত তারিখে?
উ : ১৯৭১ খ্রিষ্টাব্দের ১০ই অক্টোবর; প্যারিসে ।

➡️সংকলন-মোস্তাফিজার মোস্তাক

Check Also

বাংলা সাহিত্যের বিখ্যাত উক্তি ও প্রবক্তা

বাংলা সাহিত্যের বিখ্যাত উক্তি ও প্রবক্তা 📒রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ১। ‘আজি হতে শত বর্ষে পরে কে …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *