বাংলাদেশের খনিজ সম্পদ

Discuss Today

বাংলাদেশের খনিজ সম্পদ

০১) বাংলাদেশে প্রধান খনিজ পদার্থ

– প্রাকৃতিক গ্যাস।

০২) প্রাকৃতিক গ্যাসের প্রধান উপাদান

– মিথেন।

০৩) বাংলাদেশে সর্বপ্রথম গ্যাসক্ষেত্র আবিষ্কৃত হয়

– ১৯৫৫ সালে সিলেটের হরিপুরে।

০৩) বাংলাদেশে সর্বপ্রথম গ্যাস উত্তোলন শুরু হয়।

-১৯৫৭ সালে সিলেটের হরিপুরে।

০৪) সর্ববৃহৎ গ্যাসক্ষেত্র

– তিতাস গ্যাসক্ষেত্র।

০৫) বাংলাদেশের কোন গ্যাসক্ষেত্র থেকে দৈনিক সবচেয়ে বেশি গ্যাস উত্তোলন করা হয়

– বাখরাবাদ গ্যাসক্ষেত্র।

০৬) তিতাস গ্যাসক্ষেত্র অবস্থিত

– ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলায়।

০৭) বাংলাদেশে এ পর্যন্ত আবিষ্কৃত মােট গ্যাসক্ষেত্র

– ২৮* টি।
– ২৮তম গ্যাসক্ষেত্রের নাম শ্রীকাইল পূর্ব-১ ।
– এটি ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার নবীনগর উপজেলায় অবস্থিত। [তথ্যসূত্র: দৈনিক প্রথম আলাে; দৈনিক যুগান্তর; ০৫ মার্চ ২০২০]

০৮) সমুদ্র উপকূলীয় গ্যাসক্ষেত্র

– ২টি; সাঙ্গু ও কুতুবদিয়া ।

০৯) সাগরে অবস্থিত বাংলাদেশের একমাত্র গ্যাসক্ষেত্র

– সাঙ্গু গ্যাসক্ষেত্র।

১০) বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি গ্যাস ব্যবহৃত হয়

– বিদ্যুৎ উৎপাদনে।

১১) সর্বপ্রথম তেলক্ষেত্র পাওয়া যায়

– ১৯৮৬ সালে সিলেটের হরিপুরে।

১২) সর্বপ্রথম তেল উত্তোলন শুরু হয়

– ১৯৮৭ সালে সিলেটের হরিপুরে ।

১৩) উন্নতমানের কয়লার সন্ধান পাওয়া গেছে

– জয়পুরহাটের জামালগঞ্জে।

১৪) সিলিকা বালি সবচেয়ে বেশি পাওয়া যায়

– কুমিলার চৌদ্দগ্রাম।

১৫) চীনা মাটি বা শ্বেতমূক্তিকার জন্য বিখ্যাত

– নেত্রকোণার বিজয়পুরে।

১৬) কঠিন শিলা বেশি পাওয়া যায়

– দিনাজপুর জেলায়

১৭) কালাে সােনা’ বা Black Gold বলা হয়

– তেজস্ক্রিয় বালুকে।
– (আর White Gold’ বলা হয় বাগদা চিংড়িকে এবং ‘তরল সোনা বলা হয় পেট্রোলিয়াম বা খনিজ তেলকে।)

১৮) তেজস্ক্রিয় বালু পাওয়া যায়

– কক্সবাজারের সমুদ্র সৈকতে

১৯) গন্ধক পাওয়া যায়

– চট্টগ্রামের কুতুবদিয়া।

২০) ইউরেনিয়াম পাওয়া যায়

– মৌলভীবাজার জেলায় কুলাউড়া থানা।

২১) চীনামাটির সন্ধান পাওয়া গেছে

– নেত্রকোণা জেলার বিজয়পুরে

২২) হীরক ও স্বর্ণ প্রাপ্তির সম্ভাবনা আছে কোথায়

– দিনাজপুর জেলার বড় পুকুরিয়া কয়লা খনিতে।

২৩) বাংলাদেশের মাটিতে কিসের আধিক্য দেখা যায়

– অ্যালুমিনিয়াম।

২৪) প্রাকৃতিক গ্যাস/তেল অনুসন্ধানের জন্য বাংলাদেশের সমগ্র ভূখণ্ডকে ভাগ করা হয়েছে

– দেশের প্রাকৃতিক তেল/গ্যাস অনুসন্ধান নীতিমালা ২০১৯’ এর আওতায় সমগ্র দেশের অনশাের অঞ্চলকে (ভূ-ভাগে) ২২টি ব্লকে এবং অফশাের অঞ্চলকে (সমুদ্রসীমায়) ২৬টি ব্লকে ভাগ করা হয়েছে (পূর্থে সমগ্র দেশ মােট ২৩টি ব্লকে বিভক্ত ছিল)।

২৫) বাংলাদেশের প্রথম লােহার খনি আবিষ্কৃত হয়

– ২০১৯ সালে।

২৬) বাংলাদেশের প্রথম লােহার খনি আবিষ্কৃত হয়

– দিনাজপুর জেলার হাকিমপুর উপজেলার ইসবপুর গ্রামে।

নােট: খনিটিতে উন্নতমানের লােহার আকরিক ‘ম্যাগনেটাইট পাওয়া গেছে। লােহা ছাড়াও খনিটিতে কপার, নিকেল ও ক্রোমিয়াম রয়েছে। খনিটি আবিষ্কার করে বাংলাদেশ ভূতাত্ত্বিক জরিপ অধিদপ্তর (জিএসবি)।

নোট মোস্তাফিজার মোস্তাক

 

Check Also

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সংক্ষিপ্ত জীবনী

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সংক্ষিপ্ত জীবনী বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জীবনী থেকে কেবল পরীক্ষায় আসার …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *