ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর

ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর

⏺️জন্ম
২৬ সেপ্টেম্বর ১৮২০
বীরসিংহ গ্রাম, হুগলি জেলা, বাংলা প্রেসিডেন্সি, ব্রিটিশ ভারত (অধুনা ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের পশ্চিম মেদিনীপুর জেলায়)

⏺️মৃত্যু
২৯ জুলাই ১৮৯১ (বয়স ৭০)
কলকাতা, বাংলা প্রেসিডেন্সি, ব্রিটিশ ভারত
(অধুনা ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যে)

⏺️ছদ্মনাম
কস্যচিৎ উপযুক্ত ভাইপোস্য, কস্যচিৎ উপযুক্ত ভাইপো সহচরস্য।

➡️ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগন বাংলা গদ্যের জনক।

➡️ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের পারিবারিক পদবী
বন্দ্যোপাধ্যায়।

➡️১৮৩৯ সালে তিনি সংস্কৃত কলেজ থেকে ‘বিদ্যাসাগর’ উপাধি লাভ করেন।

➡️তিনি ঈশ্বরচন্দ্র শর্মা নামে স্বাক্ষর করতেন।

➡️তিনি বাংলা গদ্যে ১৫টি বিরামচিহ্নের প্রবর্তন করেন।

➡️বিদ্যাসাগরের ব্যাকরণ গ্রন্থের নাম ‘ব্যাকরণ কৌমুদী’।
➡️১৮৫৬ সালে বিধবা বিবাহ আইন পাস করানোর ক্ষেত্রে তিনি সক্রিয় ভূমিকা রাখেন।

➡️তিনি ১৮৪১ সালে ফোর্ট উইলিয়াম কলেজে পন্ডিত হিসেবে যোগ দিয়েছিলেন।

⏺️ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের অনুবাদ গ্রন্থ হল
বেতাল পঞ্চবিংশতি (১৮৪৭),
শকুন্তলা (১৮৫৪),
সীতার বনবাস (১৮৬০),
ভ্রান্তিবিলাস (১৮৬৯) ইত্যাদি

⏺️মৌলিক গ্রন্থ হল
প্রভাবতী সম্ভাষণ (১৮৬৩),
বিদ্যাসাগর রচিত (১৮৯২),
সংস্কৃত ভাষা সংস্কৃত সাহিত্য বিষয়ক প্রস্তাব (১৮৫৩),
বিধবা বিবাহ চলিত হওয়া উচিত কিনা এতদ্বিষয়ক প্রস্তাব (১৮৫৫),
বহু বিবাহ রহিত হওয়া উচিত কিনা এতদ্বিষয়ক বিচার (১৮৭১),
অতি অল্প হইল (১৮৭৩),
আবার অতি অল্প হইল (১৮৭৩),
ব্রজবিলাস (১৮৮৪),
রত্ন পরীক্ষা (১৮৮৬) ইত্যাদি।

⏺️ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর রচিত পাঠ্যবই হল
বর্ণপরিচয় (১৮৫৫),
কথামালা,
বোধোদয় (১৮৫১),
আখ্যানমঞ্জরী ইত্যাদি।

⏺️গুরুত্বপূর্ণ কিছু প্রশ্ন

➡️ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের পৈতৃক পদবি কী?
_বন্দ্যোপাধ্যায়।

➡️কোন প্রতিষ্ঠান ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরকে ‘বিদ্যাসাগর উপাধি প্রদান করে?
–সংস্কৃত কলেজ।

➡️কত সালে সংস্কৃত কলেজ তাকে ‘বিদ্যাসাগর উপাধি প্রদান করে?
— ১৮৩৯ খ্রিস্টাব্দে।

➡️বাংলা গদ্যের জনক বলা হয় কাকে? –
–ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরকে। (কিন্তু বাংলায় প্রবন্ধ রচনায় প্রথম কৃতিত্ব- রাজা রামমােহন রায়ের)

➡️বাংলা ভাষায় বিরাম চিহ্ন বা যতি চিহ্নের প্রচলন কে করেন?
–ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরকে।

➡️ভ্রান্তিবিলাস: শেক্সপিয়রের ‘Comedy of Errors’ -এর বঙ্গানুবাদ।

➡️সীতার বনবাস: বাল্মিকির রামায়ণ অবলম্বনে রচিত।

➡️শকুন্তলা: মহাকবি কালিদাসের ‘অভিজ্ঞান শকুন্তলম নাটকের বঙ্গানুবাদ।

➡️মৌলিক গ্রন্থ: ‘প্রভাবতী সম্ভাষণ’ ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের প্রথম মৌলিক গ্রন্থ এবং বাংলা সাহিত্যর প্রথম মৌলিক গদ্য গ্রন্থ। এটি একটি শােকগাঁথা।

➡️বিদ্যাসাগর রচিত আত্মজীবনী: ‘আত্মচরিত’ ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর কর্তৃক রচিত আত্মজীবনী।

➡️ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের অন্যান্য মৌলিক গ্রন্থ কী কী?
– ব্রজ বিলাস, অতি অল্প হইল (রম্য রচনা), আবার অতি অল্প হইল (রম্য রচনা)

➡️পাঠ্যবই: ‘বর্ণ পরিচয়’ (বইটি ক্লাসিকের মর্যাদা লাভ করে), বােধােদয়, কথামালা (তবে ‘ইতিহাসমালা গ্রন্থটির রচয়িতা উইলিয়াম কেরি), আখ্যান মঞ্জুরী।

➡️ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর কর্তৃক রচিত ব্যাকরণগ্রন্থের নাম কী?
-ব্যাকরণ কৌমুদী।
➡️সংকলন-মোস্তাফিজার মোস্তাক

Check Also

বাংলা সাহিত্যের বিখ্যাত উক্তি ও প্রবক্তা

বাংলা সাহিত্যের বিখ্যাত উক্তি ও প্রবক্তা 📒রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ১। ‘আজি হতে শত বর্ষে পরে কে …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *